মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৩:৫৩ অপরাহ্ন

pic
শিরোনাম :
এক সময় যোগাযোগ মাধ্যমের যেটা ছিল একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ অফিস গাইবান্ধার টেলিগ্রাম ও পিসিও অফিসটির এখন জরাজীর্ণ বেহাল দশা ফুলছড়িতে নারী ফুটবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত সুন্দরগঞ্জে মাধ্যমিক পর্যায়ের প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সমন্বয়সভা গাইবান্ধায় সন্ধানীর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত পলাশবাড়িতে ট্রাক চাপায় এক ব্যক্তি নিহত গাইবান্ধায় জাতীয় যুব জোটের সম্মেলন ১৭দফা দাবিতে গাইবান্ধায় সিপিবির পদযাত্রা গাইবান্ধার বড়দহ সেতুর ঢোল আদায় বন্ধ : সরকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত গাইবান্ধায় নারী ঐক্য পরিষদের সেলাই মেশিন বিতরণ গাইবান্ধায় ব্রিজ নির্মাণ ও রাস্তা সংস্কারের দাবিতে কমিউনিস্ট পার্টির পদযাত্রা
নোটিশ :
আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে কল করুন 01715-418384
Trulli
গাইবান্ধায় বন্যা কবলিত এলাকায় ত্রাণ বিতরণে – ডেপুটি স্পীকার

গাইবান্ধায় বন্যা কবলিত এলাকায় ত্রাণ বিতরণে – ডেপুটি স্পীকার

গাইবান্ধায় বন্যা কবলিত এলাকায় ত্রাণ বিতরণে - ডেপুটি স্পীকার

স্টাফ রির্পোটার গাইবান্ধা:নদ-নদীর পানি হ্রাস পেলেও গাইবান্ধা জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: মোখলেছুর রহমান জানিয়েছেন, বুধবার সকাল ৬টায় ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি ফুলছড়ি পয়েন্টে বিপদসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার এবং গাইবান্ধা শহরের ঘাঘট নদীর পানি ১৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে ।্এদিকে গাইবান্ধা জেলা সদরের সাথে এখনও সুন্দরগঞ্জ , ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্র এর সাথে সড়ক যোগাযোগ এবং গাইবান্ধা জেলা সদরের সাথে রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

Trulli

জেলা প্রশাসন সুত্রে জানা গেছে, এ পর্যন্ত গাইবান্ধার ২ টি পৌসভা সহ ৭ উপজেলার ৫০ টি ইউনিয়ন বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। এতে ৫ লাখ ১৫ হাজার লোক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ১ শ ৮০ টি আশ্রায় কেন্দ্রে ৭৫ হাজার বন্যার্ত মানুষ আশ্রায় কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছে। ঘরবাড়ি থেকে বন্যার পাানি নেমে না যাওয়ায় বন্যার্তরা ঘরে ফিরতে পারছে না। এছাড়া ৪৫ হাজার ঘড় বাড়ি বন্যার পানিতে বিধবস্ত হয়েছে।

এপর্যন্ত বন্যা দুর্গত এলাকায় ২টি পৌরসভা সহ ৭ উপজেলায় ১১শ ৫০ মে: টন চাল, নগদ ১৫ লাখ টাকা, ৫ হাজার ৫শ ৭০ প্যাকেট শুখনা খাবার সহ ১০ আইটেমের ত্রাণ প্যাকেজ বিতরণ করা হয়। এদিকে জরুরী ভিত্তিতে ঔষুধ, স্যালাইনও সরবরাহ করা হচ্ছে। স্বাস্থ্যকর্মীরা প্রতিটি ওয়ার্ডে জরুরী ওষুধপত্রসহ বন্যা দুর্গত এলাকায় সার্বক্ষনিক কর্মরত রয়েছে। এছাড়া প্রতিটি বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রে অস্থায়ী টয়লেট নির্মাণ, বিশুদ্ধ পানির জন্য নলকুপ স্থাপন করে দেয়া হয়েছে।

উপর দিকে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ন্যাশনাল সার্ভিসের সহযোগীতায় স্থানীয় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গতকাল বুধবার গাইবান্ধা সাঘাটা উপজেলার পদুমশহর, ভরতখালী ও সাঘাটা ইউনিয়নে আশ্রয় কেন্দ্রে তৈরী খাবার বিতরণ করা হয়। এই ৩ ইউনিয়নে ৬ হাজার বন্যার্তদের মাঝে তৈরী খাবার দেয়া হয়। এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো: আলমগীর কবির, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো: তোফায়েল আহম্মেদ খান, সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উজ্জল কুমার ঘোষ সহ স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান গণ উপস্থিত ছিলেন।

স্টাফ রির্পোটার গাইবান্ধা: নদ-নদীর পানি হ্রাস পেলেও গাইবান্ধা জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: মোখলেছুর রহমান জানিয়েছেন, বুধবার সকাল ৬টায় ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি ফুলছড়ি পয়েন্টে বিপদসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার এবং গাইবান্ধা শহরের ঘাঘট নদীর পানি ১৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে ।্এদিকে  গাইবান্ধা জেলা সদরের সাথে এখনও সুন্দরগঞ্জ , ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য  কমপ্লেক্্র এর সাথে সড়ক যোগাযোগ এবং গাইবান্ধা জেলা সদরের সাথে রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।  জেলা প্রশাসন সুত্রে জানা গেছে, এ পর্যন্ত গাইবান্ধার ২ টি পৌসভা সহ ৭ উপজেলার ৫০ টি ইউনিয়ন বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। এতে ৫ লাখ ১৫ হাজার লোক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ১ শ ৮০ টি আশ্রায় কেন্দ্রে ৭৫ হাজার বন্যার্ত মানুষ আশ্রায় কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছে। ঘরবাড়ি থেকে বন্যার পাানি নেমে না যাওয়ায় বন্যার্তরা ঘরে  ফিরতে পারছে না।  এছাড়া ৪৫ হাজার ঘড় বাড়ি বন্যার পানিতে বিধবস্ত হয়েছে। এপর্যন্ত বন্যা দুর্গত এলাকায় ২টি পৌরসভা সহ ৭ উপজেলায় ১১শ ৫০ মে: টন চাল, নগদ ১৫ লাখ টাকা, ৫ হাজার ৫শ ৭০ প্যাকেট শুখনা খাবার সহ ১০ আইটেমের ত্রাণ প্যাকেজ বিতরণ করা হয়। এদিকে জরুরী ভিত্তিতে ঔষুধ, স্যালাইনও সরবরাহ করা হচ্ছে। স্বাস্থ্যকর্মীরা প্রতিটি ওয়ার্ডে জরুরী ওষুধপত্রসহ বন্যা দুর্গত এলাকায় সার্বক্ষনিক কর্মরত রয়েছে। এছাড়া প্রতিটি বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রে অস্থায়ী টয়লেট নির্মাণ, বিশুদ্ধ পানির জন্য নলকুপ স্থাপন করে দেয়া হয়েছে।  উপর দিকে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ন্যাশনাল সার্ভিসের সহযোগীতায় স্থানীয় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গতকাল বুধবার গাইবান্ধা সাঘাটা উপজেলার পদুমশহর, ভরতখালী ও সাঘাটা ইউনিয়নে আশ্রয় কেন্দ্রে তৈরী খাবার বিতরণ করা হয়। এই ৩ ইউনিয়নে ৬ হাজার বন্যার্তদের মাঝে তৈরী খাবার দেয়া হয়। এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো: আলমগীর কবির, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো: তোফায়েল আহম্মেদ খান, সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উজ্জল কুমার ঘোষ সহ স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান গণ উপস্থিত ছিলেন। এদিকে গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার মো. ফজলে রাব্বি মিয়া এমপি  গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার উড়িয়া ,উদাখালী ও কি পাড়া ইউনিয়ন সহ যমুনা নদী বেষ্টিত বিভিন্ন চরা লে পানিবন্দী লোকদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন। এসময় সাঘাটা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো: জাহাঙ্গীর কবির, ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল হালিম টলষ্টয়, সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান, ফুলছড়ি আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুল গফুর মন্ডল, যুগ্ম সম্পাদক শহিদুল ইসলামসহ জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। ডেপুটি স্পীকার মো. ফজলে রাব্বি মিয়া এমপি বলেছেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ সকলকে ত্রাণ দেয়া হবে। সরকারের ত্রাণ ভান্ডারে পর্যাপ্ত ত্রাণসামগ্রী ও খাদ্য মওজুদ রয়েছে। সরকার ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বন্যার্তদের পাশে রয়েছে। তারা বন্যা কবলিত এলাকায় ত্রান সামগ্রী বিতরণ করছে। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে বর্ন্যাত মানুষের কষ্ট লাঘবে উদ্ধার ও ত্রাণ সরবরাহ যথাসময়ে ব্যবস্থা নেয়ায় বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ পৌছানো সম্ভব হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সরকার বন্যাপরবর্তী সংকটও ধৈর্যেও সাথে মোকাবেলা করতে সক্ষম হবে।
এদিকে গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার মো. ফজলে রাব্বি মিয়া এমপি গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার উড়িয়া ,উদাখালী ও কি পাড়া ইউনিয়ন সহ যমুনা নদী বেষ্টিত বিভিন্ন চরা লে পানিবন্দী লোকদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন। এসময় সাঘাটা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো: জাহাঙ্গীর কবির, ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল হালিম টলষ্টয়, সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান, ফুলছড়ি আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুল গফুর মন্ডল, যুগ্ম সম্পাদক শহিদুল ইসলামসহ জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।

স্টাফ রির্পোটার গাইবান্ধা: নদ-নদীর পানি হ্রাস পেলেও গাইবান্ধা জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: মোখলেছুর রহমান জানিয়েছেন, বুধবার সকাল ৬টায় ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি ফুলছড়ি পয়েন্টে বিপদসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার এবং গাইবান্ধা শহরের ঘাঘট নদীর পানি ১৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে ।্এদিকে  গাইবান্ধা জেলা সদরের সাথে এখনও সুন্দরগঞ্জ , ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য  কমপ্লেক্্র এর সাথে সড়ক যোগাযোগ এবং গাইবান্ধা জেলা সদরের সাথে রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।  জেলা প্রশাসন সুত্রে জানা গেছে, এ পর্যন্ত গাইবান্ধার ২ টি পৌসভা সহ ৭ উপজেলার ৫০ টি ইউনিয়ন বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। এতে ৫ লাখ ১৫ হাজার লোক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ১ শ ৮০ টি আশ্রায় কেন্দ্রে ৭৫ হাজার বন্যার্ত মানুষ আশ্রায় কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছে। ঘরবাড়ি থেকে বন্যার পাানি নেমে না যাওয়ায় বন্যার্তরা ঘরে  ফিরতে পারছে না।  এছাড়া ৪৫ হাজার ঘড় বাড়ি বন্যার পানিতে বিধবস্ত হয়েছে। এপর্যন্ত বন্যা দুর্গত এলাকায় ২টি পৌরসভা সহ ৭ উপজেলায় ১১শ ৫০ মে: টন চাল, নগদ ১৫ লাখ টাকা, ৫ হাজার ৫শ ৭০ প্যাকেট শুখনা খাবার সহ ১০ আইটেমের ত্রাণ প্যাকেজ বিতরণ করা হয়। এদিকে জরুরী ভিত্তিতে ঔষুধ, স্যালাইনও সরবরাহ করা হচ্ছে। স্বাস্থ্যকর্মীরা প্রতিটি ওয়ার্ডে জরুরী ওষুধপত্রসহ বন্যা দুর্গত এলাকায় সার্বক্ষনিক কর্মরত রয়েছে। এছাড়া প্রতিটি বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রে অস্থায়ী টয়লেট নির্মাণ, বিশুদ্ধ পানির জন্য নলকুপ স্থাপন করে দেয়া হয়েছে।  উপর দিকে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ন্যাশনাল সার্ভিসের সহযোগীতায় স্থানীয় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গতকাল বুধবার গাইবান্ধা সাঘাটা উপজেলার পদুমশহর, ভরতখালী ও সাঘাটা ইউনিয়নে আশ্রয় কেন্দ্রে তৈরী খাবার বিতরণ করা হয়। এই ৩ ইউনিয়নে ৬ হাজার বন্যার্তদের মাঝে তৈরী খাবার দেয়া হয়। এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো: আলমগীর কবির, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো: তোফায়েল আহম্মেদ খান, সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উজ্জল কুমার ঘোষ সহ স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান গণ উপস্থিত ছিলেন। এদিকে গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার মো. ফজলে রাব্বি মিয়া এমপি  গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার উড়িয়া ,উদাখালী ও কি পাড়া ইউনিয়ন সহ যমুনা নদী বেষ্টিত বিভিন্ন চরা লে পানিবন্দী লোকদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন। এসময় সাঘাটা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো: জাহাঙ্গীর কবির, ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল হালিম টলষ্টয়, সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান, ফুলছড়ি আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুল গফুর মন্ডল, যুগ্ম সম্পাদক শহিদুল ইসলামসহ জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। ডেপুটি স্পীকার মো. ফজলে রাব্বি মিয়া এমপি বলেছেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ সকলকে ত্রাণ দেয়া হবে। সরকারের ত্রাণ ভান্ডারে পর্যাপ্ত ত্রাণসামগ্রী ও খাদ্য মওজুদ রয়েছে। সরকার ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বন্যার্তদের পাশে রয়েছে। তারা বন্যা কবলিত এলাকায় ত্রান সামগ্রী বিতরণ করছে। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে বর্ন্যাত মানুষের কষ্ট লাঘবে উদ্ধার ও ত্রাণ সরবরাহ যথাসময়ে ব্যবস্থা নেয়ায় বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ পৌছানো সম্ভব হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সরকার বন্যাপরবর্তী সংকটও ধৈর্যেও সাথে মোকাবেলা করতে সক্ষম হবে।
ডেপুটি স্পীকার মো. ফজলে রাব্বি মিয়া এমপি বলেছেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ সকলকে ত্রাণ দেয়া হবে। সরকারের ত্রাণ ভান্ডারে পর্যাপ্ত ত্রাণসামগ্রী ও খাদ্য মওজুদ রয়েছে। সরকার ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বন্যার্তদের পাশে রয়েছে। তারা বন্যা কবলিত এলাকায় ত্রান সামগ্রী বিতরণ করছে।

 

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে বর্ন্যাত মানুষের কষ্ট লাঘবে উদ্ধার ও ত্রাণ সরবরাহ যথাসময়ে ব্যবস্থা নেয়ায় বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ পৌছানো সম্ভব হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সরকার বন্যাপরবর্তী সংকটও ধৈর্যেও সাথে মোকাবেলা করতে সক্ষম হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

9 + 1 =

Advertisement

Advertisement

© All rights reserved © 2019 GaibandhaNews.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com
x